পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
রোহিঙ্গাদের আপনি কতদিন সাহায্য করবেন? কতদিন ধরে তাদের রিলিফ দিতে থাকবেন? চাইলেও বছরের পর বছর পারবেন না। সামর্থের ব্যপার আছে। আবার যদি পারেনও, বেশীদিন সাহায্য করা ঠিক হবে না। বেশী সাহায্য মানুষের স্কিল ধ্বংস করে দেয়, কর্মক্ষমতা হ্রাস করে। এমনকিছু করেন যাতে রোহিঙ্গারা কিছু করে খেতে পারে। কুটির শিল্প গড়ে দেন, প্রশিক্ষন দেন। চাইলে তাদের সাথে নিয়া বিজনেসও করতে পারেন। স্বস্তা শ্রম পাবেন আবার বাজার ধরাও সহজ হবে। রোহিঙ্গাদের তৈরি পন্য বইলা আন্তর্জাতিক মার্কেটও ধরতে পারবেন। ইউরোপিয়ান আমেরিকানরা শুধুমাত্র এই কারণে আপনার পন্য কিনবো যে এইটা রিফিউজিদের হেল্প করতেছে। ট্রাস্ট মী, বিলিয়ন ডলার ইন্ড্রাস্ট্রি দাঁড় করানো সম্ভব।
লোকে জ্ঞানী বলতেই ভালো মানুষ মনে করে। তা ঠিক না, আসল জ্ঞানীরাও হারামজাদা হইতে পারে।
বাসার গলির নাম রাখছি, "সৎ"। এখন থেকে সৎপথে চলব।
বাবা  ......  মায়ের পেটে থাকতে  আমার খুব বাবাকে দেখতে ইচ্ছে হতো।  বাবার তখন আমাকে দেখতে ইচ্ছে হতো কিনা  বলতে পারি না। বাবা দেখতে কেমন, কিভাবে হাসেন, কথা বলেন... একেকবার মনে হতো তিনি ফেরেশতার মতো। অথচ যতবার মাকে কাঁদতে শুনেছি বাবাকে জগতের নিষ্ঠুরতম লোক বলে মনে হতো। ঘৃণা হতো। তার মুখ না দেখার ইচ্ছেরা চেপে বসত তখন। মা কাঁদতে কাঁদতে নানাবাড়ি চলে যেত। কিন্তু পৃথিবী ছাড়া আমার আর কোথাও যাবার ছিল না।
অনেক দূরের এক নক্ষত্র থেকে আমি পৃথিবীতে এসেছিলাম, ভাত খেতে। পৃথিবীবাসী আমারে বাইন্ধ্যা রাখছে।
সাড়ে সাতশকোটি মানুষকে জিম্মি করে পালাচ্ছে পৃথিবী।
পকেটে  তিরিশ টাকা।  চলতে হবে আরো অর্ধেক আয়ু…
-ছেলে কী করে? -ছেলের মনে যা চায়, তাই করে।
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো পাশবিক একটি ব্যাপার। অবাক? পাশবিক বলছি, কারণ পশুরা বিপদে পড়লে পশুরা এগিয়ে আসবেই। একটা কাক বিপদে পড়লে যেমন অজস্র কাক এসে জড়ো হয়। অন্যদিকে মানুষ বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে যে দাঁড়ায় না- এইটা মানবিক ব্যাপার। এটা শুধুমাত্র মানুষের মধ্যেই আছে। অন্য কোনো প্রানীর মধ্যে নাই। থাকলেও খুব কম। দয়া করে মানবিক এবং পাশবিক শব্দদুটি না বুঝে, অন্ধভাবে, মুখস্তভাবে ব্যবহার করবেন না। শব্দের অর্থ অনেক বদলে গেছে এখন পৃথিবীতে।
আমাদের সহজ পৃথিবী ।  পৃথিবী মানুষদের থাকবার জায়গা। তারা এখানে ঘর বাড়ি বানিয়ে বসবাস করে। কিছু পশু পাখি মাছ ও কীটপতঙ্গও থাকে পৃথিবীতে। অনেকগুলি গাছও আছে পৃথিবীতে। ওরা মার্টিতে ঢুকে পৃথিবী থেকে আকাশের দিকে ঝুলে থাকে। অনেক গাছগুলি যখন একত্রে বসবাস করে ওদের জঙ্গল বা বন বলা হয়। পশুপাখিগুলি সাধারণত জঙ্গলের গাছগুলির নিচে দৌড়াদৌড়ি করে ও ঘাস খায়। কিছু পশু, যেমন বানরেরা, গাছগুলির উপরে ওঠে ও কখনো সেখানে বসে থাকে। পাখিরাও গাছে বসে। এবং ওরা অনেক, মানুষদের থেকেও বেশি কথা বলে। মানুষদের সাধা রণত গাছের নিচে বসতে দেখা যায়। মানুষ জীব হিসাবে লাজুক প্রকৃতির। তারা সচরাচর তাদের যৌনাঙ্গ ঢেকে রাখে। তবে মানুষ খুব কম জঙ্গলে থাকে। তারা শহরে থাকে ও গ্রামে থাকে। মানুষদের বেশির ভাগই ভাত খায়, আটা খায়। মানুষের চামচামি করার জন্য পৃথিবীতে কুকুর নামে এক ধরনের জীব কিনতে পাওয়া যায়। একবার একটা কুকুর কিনলে মানুষেরা সারা জীবন সেই কুকুর দিয়ে তাদের বাসাবাড়ির অনেক কাজ করায়। যেমন বাসা পাহারা দেওয়া।
নিজেকে গতিশীল করা এবং আপডেট করার কোন বিকল্প নাই। যত দিন যাচ্ছে কম্পিটিশন ততই বাড়ছে সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কাজের ভেরিএশন, তাই নিজেকে এক জায়গায় বোতল বন্দী করে রাখার দিন শেষ। আপনি যত উপরের দিকে উঠতে থাকবেন ততই আপনার অপশন ছোট হয়ে আসবে এবং রিক্সও বাড়তে থাকবে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখি অনেক অভিজ্ঞ এবং বয়জেষ্ঠ লোক জন বলতে থাকে সেদিনকার ছেলে/ মেয়ে কিছু না বুঝেই তরতর করে উপরে উঠে যাচ্ছে এবং সবার উপরে ছড়ি ঘুরাচ্ছে। কিন্তু তাদের নিজেদের যখন আপডেট করার দরকার ছিল তখন তা করেনি তাই পিছিয়ে পড়েছে/যাচ্ছে। সময় হয়েছে নিজেকে বদলাবার এখন কর্পোরেট পশিজন নির্ভর করে কর্ম দক্ষতার উপর, অভিজ্ঞতার পরিধির উপর না..... তাই নিজেকে আরো কর্মদক্ষ করে তুলুন সময়ের চাহিদার উপর.........