পোস্টগুলি

2015 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
  ঠোঁটের বেলকনিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ হাসি ঝুলিয়ে কি অনায়াসে ঠকিয়ে যাওয়া যায় পরী????
যে সব সময়ে বলে  ভাল আছি,সে একটা পাগল। কারন পাগলদের কস্ট নাই,পাগল সব সময় ভাল থাকে।
আকাশের রং কালো হয়ে এলো বৃষ্টি নামবে এখনি  জানি তবু ছেঁড়া ছাতা নিয়ে ভিজে ভিজে আমি থাকবো দাঁড়িয়ে পরীর অপেক্ষায়...
ছবি
‪পরী‬ রঙধনু ভালোবাসো, তবু আমি ‎বৃষ্টি‬ হতে চাই, যাতে তোমায় ‪‎ছুঁয়ে‬ দিতে পারি বারবার। কি হবে বলো ঐ ক্ষনিকের ‎অতিথি‬ হয়ে? আমি তোমার ঘরের দামি কাঠের ... ‪‎আসবাব‬ হতে চাইনি বরং হতে চেয়েছি তোমার ‪‎বারান্দায়‬ থাকা পাতাবাহার‬, যাতে সকাল বিকাল তোমার হাতের ‪‎জল‬ পাই। 
কলেজ জীবন এ প্রথম যে দিন আমি বাংলা ক্লাস করি সেই দিন নাম ডাকছিল সবাই yes sir বলছিল আমার রোল টা যখন বললো আমি দাড়িয়ে বললাম উপস্তিত। স্যার আমাকে দাড়িয়ে রাখলো আর সবাই হাসতেছিল, আমি ভাবলাম কি করলাম, স্যার বলল তুমি তো অভদ্র । আমি বুঝলাম কারন টা কি! ১৯৫২ সালে কত মানুষের জীবন গেল আর আপনি আমাকে বাংলা বলার জন্য অভদ্র বললেন। তারপর আর অনেক কিছু বলল। কিছু না বলে চুপ থাকলাম। তারপর জীবনে অার বাংলা ক্লাস করি নি।
ছবি
ভালোবাসার অনেক রঙ, কিছু রঙ জীবনের সাথে মিশে থাকে আর কিছু রঙ খুজেঁ নিতে হয়।। এক একটি রঙ ভিন্ন একটি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।। পরিচিত রঙ গুলোকে আমরা রাগ,অভিমান, কষ্ট হিসেবে অভিহিত করি।।এসব রঙ গুলো দিয়ে জীবন নামক জলছবি আকাঁ হয়।। যেসব রঙ চিনতে পারি না, খুজঁতে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলি, সেসব রঙ জীবনে ভুল হয়েঅপরিচিত রয়ে যায় সবসময়।।
জীবনের চলার পথটা ঠিক মহাসাগর এর মত,কোথায় গিয়ে শেষ হইছে কে জানে। মন  না  চাইলে ও যে এই  মহাসাগর  পাড়ি দিত  হবে। হই জীবন দিতে  হবে তা  না  হলে জয়ী হতে হবে।
পরীকে শেষ দেখেছিলাম কোন এক রৌদ্র ভরা বিকালে, আজ আবার দেখলাম সন্ধার শেষ দিকে। মাঝের এই সময় টা আমার কাছে ঠিক মিশরে হেটে যাওয়ার মত । পরীর বাড়ি যখন গেলাম বুকটা থর থর করছিল। পরী আমাকে দেখে মুখ লুকালো দরজার পাশে। পরীর চোখ টার দিকে ভয়ে ভয়ে তাকালাম। চোখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, সেই রৌদ্র ভরা বিকালে পরী আর আজ সন্ধার শেষের পরী টার কোন মিল নাই। ওর চোখে নেই কালো সাদার শেষ স্মৃতি। আছে শুধু অজানা কিছু কথা।
একটা ছেলেকে খারাপ বানাতে একটা মেয়েই যথেষ্ট!
মেয়েদের মন আকাশের তাঁরার মতো !আকাশের তাঁরা যেমন গনণা করা যায় না, মেয়েদের মন ও গনণা করা যায় না্‌।
অভিনেতা অভিনেত্রী ছাড়া সবার চোখের ভাষা বোঝা যায় !
যে আপনাকে ব্যবহার করে তাকে আপনি কখন ও ব্যবহার করতে পারবেন না ।
মানুষের জীবন ৩ ভাগে ভাগ করছি। ১--কিছু মানুষের জীবন ফিলিস্তিনি,লিবিয়া,ইরাক এর মত।(অসুখী) ২--কিছু মানুষের জীবন সুইজারল্যান্ডের,আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক এর মত। (সুখী) ৩--কিছু মানুষের জীবন আফ্রিকার টোগো,বুরুন্ডি, সিরিয়া, বেনিন এর মত। (কম সুখী)
ছবি
পরী ঠিক সে রকম মেয়ে, যতটুকু আমার কামনায়.. আর ঠিক ততটুকু রাগী, যতটুকু তোমায় মানায়.. তুমি ঠিক ততটুকু সুন্দর, যার উপমা ব্যাকরণে নেই.. আর ঠিক ততটুকু ভালো, যতটুকু ভালো হওয়া যায়.. তুমি ঠিক ততটুকু হাসো, যতটুকু হৃদয়ে বিস্ময় ঘটায়.. আমি ঠিক ততটুকু ভালবাসি, যতটুকু ভালবাসা যায়...!!
ছবি
সাদা বা ফর্সা মানেই কিন্তু সুন্দর না... আর কালো মানেই কুতসিত না. .. । কাফনের কাপর সাদা কিন্তু ভয়া নক . ..  আর কাবা ঘর কালো কিন্তু অপরুপ ... । তেমনি মানুষের সৌন্দর্য বাহিক্য রুপ দেখে নয়... চরিত্র দ্বারাই মানুষ সুন্দর   হয়... ।।                   
ছবি
আর কখন বলবো না ‪#‎পরী‬  কি করছো,diner করছো  বলবো না আর এখন ও ঘুমাও নাই কেন।  তোমাকে আর বলবো ঐ বাজে ছেলে  কল দিলে ফোন না ধরতে।  আমি তো তোমার আর নাই।  সে অধিকার নাই আমার।  তুমি ও এখন রাগ করো না।  ঐ যে শুধু i ‪#‎love‬ u বললে আমি,  তুমি বলতে ‪#‎so‬ much কোথায়।  আজ আমার জন্য তোমার চোখে ‪#‎জল‬।  আমি জানি আমি তোমাকে ভুলতে পারব না,  তবু তোমার ‪#‎চোখে‬ জল দেখতে চাই না।
ছেলেটির দুহাত ধরে মেয়েটি কথা দিয়েছিল  জীবনে প্রথম সমুদ্র দেখবে ছেলেটির সাথে,  যদি তার এই শপথ পূরণ না হয়,  তবে কোনদিন সে সমুদ্রের সামনে দাড়াবেনা ।  আজ সে অন্য কারো সাথে সমুদ্রস্নানে মত্ত,  ঢেউয়ের তোড়ে কোথায় যে ভেসে গেল  পুরনো দিনের সেইসব অর্থহীন প্রতিস্রুতি !!!  ছেলেটি নিজে নিজে কিছুই করতে পারতনা,  জীবনের ছোট বড় সবকিছু মেয়েটি মনে করিয়ে দিত-  সেভ করার কথা,চুল কাটার কথা,  এমনকি ঠিক মত খেল কিনা,ঘুমাল কিনা তাও ।  আজ ছেলেটি একা একাই সব করে ,  সময় মত ঘুম থেকে ওঠে , নাস্তা করে অফিসে যায় ,  কখন কোন মিটিঙে যাবে কেউ মনে করিয়ে দেয়না ।  কথা ছিল ওদের ঘরে থাকবে আসমানি রঙের পর্দা,  আজ মেয়েটির ঘরে কাল পর্দা , ছেলেটির ঘরে সাদা !  কথা ছিল সপ্তম বসন্তে সারাদিন একসাথে কাটাবে দুজন,  আজ সেই দিন ,তবু মনে নেই কারোই !  ক্যালেন্ডারের পাতা গুলো হাওয়ায় ওড়ে ।  স্মৃতির উপর সময়ের প্রলেপ জমতেই থাকে ,  সবকিছু হয়ে যায় ঝাপসা , ভালবাসাও ???
সবচেয়ে কষ্টে আছি …কিন্তু  কারো কারো কষ্টের  কথা শুনলে মনে হয়  পৃথিবীতে হয়তবা আমি ই  সবথেকে সুখি..…।
যে ছেলে তার গার্লফ্রেন্ড- কে  সত্যিকারের  ভালবাসে সে মেয়েটির শার্টের  বোতাম খুলে না..... .  . বরং সে মেয়েটির  শার্টের বোতাম  লাগিয়ে দিয়ে বলে “আমি তোমার সুন্দর  মনটার জন্য উন্মাদ , দেহটার জন্য নই।।
-কি করছো?  – ছবি আকঁছি।  - ওটা তো একটা বিন্দু।  – তুমি ছুঁয়ে দিলেই বৃত্ত হবে  কেন্দ্র হবে তুমি  আর আমি হবো বৃত্তাবর্ত।  - কিন্তু আমি যে বৃত্তে আবদ্ধ হতে চাই  না  আমি চাই অসীমের অধিকার।  – একটু অপেক্ষা করো. . . এবার দেখো।  ওটা কি? ওটা তো মেঘ।  – তুমি ছুঁয়ে দিলেই আকাশ হবে।  তুমি হবে নি:সীম দিগন্ত  আরআমি হবো দিগন্তরেখা।  - কিন্তু সে তো অন্ধকার হলেই  মিলিয়ে যাবে  আমি চিরন্তন হতে চাই।  – আচ্ছা, এবার দেখো।  - একি! এ তো জল।  – তুমি ছুঁয়ে দিলেই সাগর হবে  তিনভাগ জলের তুমি হবে জলকন্যা  আর আমি হবো জলাধার।  - আমার যে খন্ডিতে বিশ্বাস নেই  আমার দাবী সমগ্রের।  – একটু অপেক্ষা করো,  এবার চোখ খোল।  - ওটা কি আঁকলে? ওটা তো একটা হৃদয়।  – হ্যাঁ, এটা হৃদয়।  যেখানে তুমি আছো অসীম মমতায়,  চিরন্তন ভালোবাসায়  এবার বলো আর কি চাই তোমার?  - সারাজীবন শুধু ওখানেই  থাকতে চাই।
কিছু মানুষ ভালোবাসাকে শুধু আগুনের সাথে তুলনা করে,কিন্তু আমি ঐ কিছু মানুষের সাথে একমত নই,কারন আগুন শুধু পোড়ায় এবং পুরিয়ে মারতে পারে এবং পুরিয়ে সব ধ্বংস কিংবা শেষ করে দেয়.....................  কিন্তু,  একটি সত্যিকারের ভালোবাসা হচ্ছে জলের মত,  যার কখনোই মৃত্যু হয় না,  এবং এই ভালোবাসার কোন শেষ নেই,এই ভালোবাসার শুধু পরিবর্তন হয়,  কিন্তু এই সত্যিকারের ভালোবাসার কখনোই মৃত্যু হয় না.
অবহেলা একটি সাধারন শব্দ,  কোন যুক্ত বর্ণ নেই, নেই কোন ঘোরানা পেচানো বর্ণ।  কিন্ত এই অবহেলা যে মানুষের জন্য বিধাতা বরাদ্দ করে দেন,  সেই মানুষ ঠিক এতো সহজে এই শব্দটিকে পুঁজি করে জীবনের বেঁচে থাকাটিকে উপভোগ করতে পারে না।  ↓  ... এই আমি বারবার নিজেকে অবহেলিত হতে দেখেছি।  বার বার নিজেকে কুড়ীয়ে পেয়েছি আস্তা কুড়ে,  তবুও মেনে নিতে চেয়েছি,  ভেবেছি, একদিন হয়তো নিজেকে দাঁড় করাতে পারবো নিজের মতো করে।  বিধাতা হয়তো আমার এই ভাবনাকে পুঁজি করে আড়ালে হেসেছিলেন, বড় নিষ্ঠুর হাসি।  অবহেলিত হতে হতে একসময় সহনীয় হয়ে যাওয়ার কথা হয়তো হয়েও গিয়েছিলো।  কিন্তু আজ এই পরন্ত বেলায় জীবনের সঞ্চয় খুঁজতে গিয়ে  নিজেকে নিঃশ্ব হাতে অবিষ্কারের কষ্ট আমাকে দুমরে ফেলে নতুন অবহেলায়...  IN MY PRESENT CONDITION ONLY FOR U,AFTER THAT U HAPPY IM ALSO HAPPY..
শুধু তোমার জন্য...শুধু তোমার জন্য  চেনা পথ ভুলে গেছি...  চেনা নদী মনে নেই...  কত সৃতি মুছে গেছে..।  বেদনার অশ্রুতে...  শুধু তোমার জন্য...শুধু তোমার জন্য.....
একদিন হঠাত্ করে তোর সবকিছু মনে পড়বে ।  সেই আমি তোকে কতটা পাগলের মত  ভালোবেসেছিলাম ।  রাতের আধাঁরে জানালার গ্রিলটাটাকে জড়িয়ে,  তখনো তোর মাঝে থাকবে চরম একাকিত্ব,  কি অসহ্য কষ্ট আর শুন্য বুকের হাহাকার !  হয়তো সেদিন আমি পৃথিবীর মহাব্যস্ত  কোন একজন কিংবা আজকের সেই.  পুরোনো কিশোর ! জানি দুপ্রান্ত  থেকে দুটো আত্না তখন  শিকলে বাঁধা বন্দির মত ছটফট করবে!  তবুও তোকে ভালবাসি .  কোন স্বার্থের জন্য ভালবাসি না।  তোকে পাবার জন্যও না !!  তবে যে তুই এখন তাকে নয়,  যে তুই ছিলি, সে আমারই আছিস।
মন ফড়িং এর মনটা বোধহয়  নেইরে ভালো আজ,  তার গায়ে আজ দেখিনা তো  নীলের কারুকাজ।  বুক দেখি তার ঢেকে আছে  আঁধার কালো মেঘে, কার উপরে আকাশটা আজ  আছে এমন রেগে?  ঐ আকাশের মতো,  কষ্ট জমে বুকের মাঝে  বাড়ছে শুধু ক্ষত!  মন আকাশে হচ্ছে যেনো  মেঘের আনাগোনা, এর মাঝেও এই মনে ভাই  স্বপ্ন কি যায় বুনা? স্বপ্ন বুনার দিনতো নয় আজ,  আজ ভালো নয় ক্ষণ;  নেই ভালো নেই আমার এবং  ঐ আকাশের মন!
ছবি
শুধু একটি বার আমার দিকে তাকাও  আমি সারা জীবন তোমার দিকে তাকিয়ে থাকব  তোমার কালো চোখে কাজল দিয়ে  চোখে চোখ রেখে মনের তৃষ্ণা মিটাব।  শুধু একটি বার ভালবাস...  চৈত্র মাসে শুঁকনো আকাশে বৃষ্টি নামাব।  শুঁকনো হৃদয়ে ভালবাসার ঝর্ণা ঝরাব তুমি আমাকে যে চিটি লিখেছিলে আমি তার জবাব লিখে এনেছি। সাংকেতিক ভাষায় লিখে এনেছি।'  ‪#‎pori‬# হাত বাড়াল। তার চোখে চাওয়া কৌতুক ঝকমক করছে। মনে হচ্ছে যে কোনো মুহুর্তে হে খিলখিল করে হেসে ফেলবে. যেন সে অনেক কষ্টে হাসি থামাচ্ছে।  'সাংকেতিক চিঠিটাই কি লেখা পড়তে পারছ?'  'পারছি। এখানে লেখা I hate you.'  'I Love you - ও তো হতে পারে।'  'সংকেতের ব্যাখ্যা সবাই তার নিজের মত করে করে, আমিও তাই করলাম। আপনার আটটা তারার অনেক মানে করা যাই, যেমন -  I want you.  I miss you.  I lost you.  আমি আমার পছন্দ মত একটা বেছে নিলাম।”
পরীর   ফোন ব্যস্ত। মন ফড়িং কল দিলো, অনেকবার দিলো। মাঝে মাঝে অনেক প্রশ্নের উত্তর একটাই হয়।  গোসল করেছো? 'হ্যাঁ'  খেয়েছো? 'হ্যাঁ'  ঘুমিয়েছো? 'হ্যাঁ'  মন ভালো? 'হ্যাঁ'  পড়া শেষ? 'হ্যাঁ'  মন ফড়িং এর অনেক প্রশ্ন। উত্তর একটাই- আপনার ডায়ালকৃত নাম্বারটি এই মুহূর্তে ব্যস্ত আছে...ব্লা ব্লা ব্লা।  ম্যাসেজের পর ম্যাসেজ যায়, সাড়া নেই। রাত একটা বাজে। একটা মানে অনেক রাত। মন ফড়িং এর ও। তবু মধ্যরাতেই দুই ফিতার স্যান্ডেল পায়ে বের হলো। গন্তব্য  পরীর  ঘর। ফড়িং এর বাবা-মা ঘুম।মন ফড়িং এর আশেপাশে সবাই ঘুম। শুধু ওর ঘুম নেই চিন্তায়।  পরী  ঘুমায়নি, কেন ঘুমালো না?  পরী  রোজ সকালে দেরী করে ওঠে। রাতে কল আসে। অন্য কারো কল, মন ফড়িং এর না। এই অন্য কাউকে মন ফড়িং এর বিষের মতো লাগে, আজও লাগে। এই অন্য কেউয়ের নাম দিলাম ছাড়পোকা।  পরীকে  ছাড়পোকা ছাড়ছে না, মন ফড়িং ছাড়াতে পারছে না।  পরীর  ফোনে আঠার মতো লেগে আছে ছাড়পোকা।মন ফড়িং এর ফোনের উত্তর সেই একই আসে বারবার। ইচ্ছে করে ফোনে ভেতর ঢুকে গিয়ে ছাড়পোকার দুই গালে দুটো চ...