পরীর ফোন ব্যস্ত। মন ফড়িং কল দিলো, অনেকবার দিলো। মাঝে মাঝে অনেক প্রশ্নের উত্তর একটাই হয়।
গোসল করেছো? 'হ্যাঁ'
খেয়েছো? 'হ্যাঁ'
ঘুমিয়েছো? 'হ্যাঁ'
মন ভালো? 'হ্যাঁ'
পড়া শেষ? 'হ্যাঁ'
মন ফড়িং এর অনেক প্রশ্ন। উত্তর একটাই- আপনার ডায়ালকৃত নাম্বারটি এই মুহূর্তে ব্যস্ত আছে...ব্লা ব্লা ব্লা।
ম্যাসেজের পর ম্যাসেজ যায়, সাড়া নেই। রাত একটা বাজে। একটা মানে অনেক রাত। মন ফড়িং এর ও। তবু মধ্যরাতেই দুই ফিতার স্যান্ডেল পায়ে বের হলো। গন্তব্য পরীর ঘর। ফড়িং এর বাবা-মা ঘুম।মন ফড়িং এর আশেপাশে সবাই ঘুম। শুধু ওর ঘুম নেই চিন্তায়। পরী ঘুমায়নি, কেন ঘুমালো না?
পরী রোজ সকালে দেরী করে ওঠে। রাতে কল আসে। অন্য কারো কল, মন ফড়িং এর না। এই অন্য কাউকে মন ফড়িং এর বিষের মতো লাগে, আজও লাগে। এই অন্য কেউয়ের নাম দিলাম ছাড়পোকা। পরীকে ছাড়পোকা ছাড়ছে না, মন ফড়িং ছাড়াতে পারছে না। পরীর ফোনে আঠার মতো লেগে আছে ছাড়পোকা।মন ফড়িং এর ফোনের উত্তর সেই একই আসে বারবার। ইচ্ছে করে ফোনে ভেতর ঢুকে গিয়ে ছাড়পোকার দুই গালে দুটো চড় দিয়ে আসে সে।
পরীর বাসায় প্রায় পৌঁছে গেছে, এমন সময় কল ঢুকলো পরীর ফোনে।
'কী ব্যাপার মন ফড়িং? তুমি ঘুমাওনি এখনও?'
কথা বললো না মন ফড়িং। লাইন কেটে দিলো। আর অনেক প্রশ্নের উত্তর ওর লাগবে না।পরীকে ছাড়পোকার চেয়ে হাজারগুণ বেশী চেনে ও। ছাড়পোকাটা আসলে কে, এই প্রশ্নের উত্তরে ও হয়তো অনেক কথা বলবে। কিন্তু কণ্ঠের সেই ভয়, ধরা পড়ে যাবার শংকা কীভাবে লুকাবে ফড়িং এর কাছে?
পরীর ঘরের দেয়ালের ঠিক উল্টোপাশে দাঁড়িয়ে খুব কষ্ট হচ্ছে মন ফড়িং এর।
মন ফড়িং কাঁদছে, ঠিক পাশে শুয়ে পরী কি ওর কান্না শুনতে পায়?
মাঝের দেয়ালটা আজ অনেক বড়। একটা পথ আজ অনেক লম্বা..
গোসল করেছো? 'হ্যাঁ'
খেয়েছো? 'হ্যাঁ'
ঘুমিয়েছো? 'হ্যাঁ'
মন ভালো? 'হ্যাঁ'
পড়া শেষ? 'হ্যাঁ'
মন ফড়িং এর অনেক প্রশ্ন। উত্তর একটাই- আপনার ডায়ালকৃত নাম্বারটি এই মুহূর্তে ব্যস্ত আছে...ব্লা ব্লা ব্লা।
ম্যাসেজের পর ম্যাসেজ যায়, সাড়া নেই। রাত একটা বাজে। একটা মানে অনেক রাত। মন ফড়িং এর ও। তবু মধ্যরাতেই দুই ফিতার স্যান্ডেল পায়ে বের হলো। গন্তব্য পরীর ঘর। ফড়িং এর বাবা-মা ঘুম।মন ফড়িং এর আশেপাশে সবাই ঘুম। শুধু ওর ঘুম নেই চিন্তায়। পরী ঘুমায়নি, কেন ঘুমালো না?
পরী রোজ সকালে দেরী করে ওঠে। রাতে কল আসে। অন্য কারো কল, মন ফড়িং এর না। এই অন্য কাউকে মন ফড়িং এর বিষের মতো লাগে, আজও লাগে। এই অন্য কেউয়ের নাম দিলাম ছাড়পোকা। পরীকে ছাড়পোকা ছাড়ছে না, মন ফড়িং ছাড়াতে পারছে না। পরীর ফোনে আঠার মতো লেগে আছে ছাড়পোকা।মন ফড়িং এর ফোনের উত্তর সেই একই আসে বারবার। ইচ্ছে করে ফোনে ভেতর ঢুকে গিয়ে ছাড়পোকার দুই গালে দুটো চড় দিয়ে আসে সে।
পরীর বাসায় প্রায় পৌঁছে গেছে, এমন সময় কল ঢুকলো পরীর ফোনে।
'কী ব্যাপার মন ফড়িং? তুমি ঘুমাওনি এখনও?'
কথা বললো না মন ফড়িং। লাইন কেটে দিলো। আর অনেক প্রশ্নের উত্তর ওর লাগবে না।পরীকে ছাড়পোকার চেয়ে হাজারগুণ বেশী চেনে ও। ছাড়পোকাটা আসলে কে, এই প্রশ্নের উত্তরে ও হয়তো অনেক কথা বলবে। কিন্তু কণ্ঠের সেই ভয়, ধরা পড়ে যাবার শংকা কীভাবে লুকাবে ফড়িং এর কাছে?
পরীর ঘরের দেয়ালের ঠিক উল্টোপাশে দাঁড়িয়ে খুব কষ্ট হচ্ছে মন ফড়িং এর।
মন ফড়িং কাঁদছে, ঠিক পাশে শুয়ে পরী কি ওর কান্না শুনতে পায়?
মাঝের দেয়ালটা আজ অনেক বড়। একটা পথ আজ অনেক লম্বা..
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন